Breaking News
Home / শিক্ষা ও সাহিত্য / “লালসালু উপন্যাস” আপনাকে কষ্ট করে আর পড়তে হবে না। লালসালু উপন্যাস আপনাকে পড়ে শুনাবে।Part 1

“লালসালু উপন্যাস” আপনাকে কষ্ট করে আর পড়তে হবে না। লালসালু উপন্যাস আপনাকে পড়ে শুনাবে।Part 1

আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সবাই ভালো আছেন।

লালসালু সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ রচিত একটি উপন্যাস। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে। লালসালু প্রধম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে ঢাকার কমরেড পাবলিশার্স থেকে। ১৯৬০ সালে কথাবিতান প্রকাশনী বের করে লালসালু উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ করেন অ্যান-মারি- থিবো, জেফ্রি ডিবিয়ান, কায়সার সাঈদ এবং মালিক খৈয়াম।

প্রিয় একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষাথী বুন্ধুরা। তোমাদের কষ্টর কথা চিন্তা করে ডিজিটাল বাংলা অডিও বুক লালসালু উপন্যাস ঔপন্যাসিক পরিচিতি | lalsalu-Syed Waliullah পরিচালিত উপন্যাসটি ভিডিও আকারে করা হয়েছে। সম্পূন বিনামূল্যে ভিডিওটি নিচে দেওয়া আছে ভিডিওটি দেখার পর সকলেই শেয়ার করবে।যাতে তোমার বুন্ধুরা দেখার পায় লেখা পড়ার মধ্যেও কোনো পোকার হিংসা করলে সামনে এগিয়ে যাওয়া অসম্ভব না। তাই ভিডিওটি দেখার পর লাইক কমেন্ট এন্ড শেয়ার করে আমাদের জানাবে আর পরবর্তি পাঠ এর ভিডিও পাওয়ার জন্য আমাদের ইউটউব চ্যানেলটি অবস্যই সাবস্ক্রাইব করে রাখবে সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং সবসময় ডিজিটাল মঠবাড়িয়ার সাথে থাকুন।

লালসালু তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত একটি বাংলা চলচ্চিত্র। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহর বিখ্যাত লালসালু উপন্যাস অবলম্বনে ২০০১ সালে এটি তৈরি হয়েছে। ছবিটি একাধিক জাতীয় পুরস্কার লাভ করে। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাইসুল ইসলাম আসাদ।

লালসালু একটা সামাজিক সমস্যামুলক বাঙালি চলচিত্র, এর কাহিনী হলঃ যুগ যুগ ধরে শেকড় গাড়া কুসংস্কার ,অন্ধবিশ্বাস ও ভীতির সংগে জীবনাকাংখার দ্বন্দ্ব।গ্রামীন মানুষের ধর্ম বিশ্বাস কে কাজে লাগিয়ে কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদ এর প্রতারণাজাল বিস্তারের মাধ্যমে, সে কিভাবে সমাজের কর্তা ব্যক্ত্বিত হয়ে ওঠে, সেই কাহিনীই ফুলে উঠেছে,এই সিনেমায়। তার এই সর্বগ্রাসি আত্মচেতনায় সে সংগী করে গ্রামের মাতব্বর কেও। গ্রামে যাতে সুষ্ঠু শিক্ষার প্রয়াস ঘটতে না পারে,তাই শিক্ষিত যুবক আক্কাসেরর স্কুল বানানোর প্রয়াস সে কৌশলে দূর করে,এভাবে নিজের অস্তিত্ব কে টিকয়ে রাখবার জন্য সে কুসংস্কার,শঠতা ও অন্ধবিশ্বাস এর আশ্রয় নেয়,,এভাবে কাহিনীর শেষ দিকে ২য় স্ত্রী জমিলার দৃপ্ত চেতনায় মজিদ তার আত্ন নিয়ন্ত্রন এর জায়গাটি খুজে পায়, এবং অনুশোচনায় জর্জরিত হলেও গড়ে তোলে তার মিথ্যার সাম্রাজ্য। এই চলচিত্রে গ্রাম্য মাজার সংস্কৃতির আগ্রাসন কে গভীর চেতনায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

“এসো মঠবাড়িয়া বাসী তথ্য প্রযুক্তির আলোতে আলোকিত হই এবং ডিজিটাল মঠবাড়িয়া গড়ি”।

আল্লাহ হাফেজ।

Comments

comments

About Nayem Mahmud

Founder and CEO at Digital Mathbaria ৷ ডিজিটাল মঠবাড়িয়া